ডা. দাউদের কাব্য লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ডা. দাউদের কাব্য লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মঙ্গলবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০১৬

যে কোন সংজ্ঞাই নিরর্থক এখন

  যে কোন সংজ্ঞাই নিরর্থক এখন

-----------------------------------

যে কোন সংজ্ঞাই নিরর্থক এখন
 অস্তিত্ব হীন প্রেমে কেটে যায় রাত  নির্ঘুম নির্মমে।
অজর নয়নে অনর্থক অশ্রুর বিসর্জন, মাঘের হিমে
অবসিত যৌবন; নির্বিশেষে হয়ে গেছে চেতনা লুণ্ঠন!

যদিও তুমি আচ্ছন্ন শীতনিদ্রায় পুরুষালী ওমে
তবু চিত্ত তোমার অশান্ত ঢের, অবিশুদ্ধ কামে!
 অস্বীকার করতে পারো?
যখন তুষারের বুকে লুণ্ঠন হচ্ছিলো আমার গচ্ছিত প্রেম
হিম নয়, আদিম সত্তা তোমাকে কাঁপিয়ে  মারছিলো;
রক্তে ধুঁকছিল আফিমের নেশা, হু হু করে তুষার ঝড়ে
ডুবে যাচ্ছিলো তোমার সুডোল স্তন, বুকের উপত্যকা,নিতম্বের শাখা...
তখন আমার সত্তা জুড়ে কবিতার জোরদার আন্দোলন
মরণ পণ লড়াই করে তোমাকে করেছে  উদ্ধার!!

যতবার প্রত্যাশা করেছো তারো বেশী দিয়েছি বলিদান
ফণীমনসার বিষ ঠাসা বনফুলের জন্য ধ্বংস করেছ গোলাপের বাগান।
কোন দস্যুতায় টলিনি আমি এক রত্তি, সারা জীবন ভর
অবলার লীলা খেলে গেছে চতুর বাজিকর! অন্তরাত্মা রেখেছি সুমহান
যদিও তুমি অবলীলায়  হত্যা করেছো আমার পবিত্র প্রাণ।

সচক্ষে দেখেছ সব! স্ব আত্মায় করেছ অনুভব!
এত কিছুর পরও আজো ছুটছো পথচ্যুত হরিণের মত
আমাকে বধির করে লোকসমক্ষে অন্ধের মতন করছো পরকীয় চুম্বন!
বেশ করেছ-
পৃথিবী দেখুক সভ্যতার আগুনে স্তম্ভিত বাস্তবতা
মিথ্যার প্রয়োজনে নত হয়েছে আজ সত্যের উঁচু মাথা।

দাউদুল ইসলাম।
১৯/১/১৬

সোমবার, ৩০ জুলাই, ২০১২

খুঁজি নিষ্কৃতির আলিঙ্গন



অতি চেনা এই সুর এই সঙ্গীত
নিভৃত তৃষ্ণায় বেদনা বিদূর আবহ কণ্ঠ
দারুণ অভিমানে ঝরে পড়ে মন্ত্র-মধুর অতীত
ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়ে মূর্ছনা দূর সমদূর
বুকের ইথারে জারি হয় নতুন অর্চনা নতুন ছন্দ।

বিভৎস কালিমা রেখায় ছুঁয়ে যায় অশ্রুর শুভ্রতা
কতকালের চেনা সেই নদী আর স্রোতের উন্মত্ততা
গলাগলি করে স্লানরত গাংচিলের পবিত্র সত্ত্বা
দুজনেই মুগ্ধ হতাম সেই সব সাদৃশ্য আয়োজনে-
হাতের কর গুনে গুনে বুনা হতো স্বপ্নের বারতা।

তীব্র আকাঙ্ক্ষায় বিচলিত হৃদয় খোঁজে নির্বাণ পথ
জ্যোৎস্না ভোগের নিভৃত তৃষ্ণায় নাক মুখ গুঁজে দেয় উদ্দাম নদীর বুকে
প্রাণপণে খোঁজে নিষ্কৃতির উষ্ণ আলিঙ্গন, নিঃসীম নিশ্চয়তা
যেই তীব্রতায় ফুটেছিলো পিঞ্জরের সৃজন সজীবতা
ফিরে আর আসেনি সেই কুজন লিখা হয়নি কাঙ্ক্ষিত কবিতা।

শনিবার, ১৪ জুলাই, ২০১২

সুধা চিহ্ন


তুমি আমাকে কোন চিহ্ন একে দিয়েছিলে
গোপনে একান্ত সঙ্গোপনে
যেখানে রক্তিম ঊষা আর তোমার প্রেম
পাশাপাশি সমান্তরাল উজ্জিবিত।
আমি আমার সারা তনু মন খুজেছি তন্ন তন্ন করে
নাক ফুলের আঁচড়
নখের কিংবা খোপা বাঁধার কাকড়ার দাগ
চুম্বনের নিপুন কারুকাজ সবি যেন আদৃশ্য
কিছুতেই কিছুর ছোঁয়া নাই ছন্দ নাই
প্রাণের সেই স্পন্দন নাই।
আমি খুজেছি সহজ সরল সেই মুখ
জোৎস্নার আদলে আকাশে ফুটবে দিপাবলী
রাতের নির্জনতায়-
আমার খাতায় ঝরাবে কবিতার শব্দাবলী।
সত্যি আমি তোমাকেই চাই
দ্বিধা নির্দ্বিধায়
যে দেবে প্রাণের পরশ
পান করবে প্রেমের সুধা।


মঙ্গলবার, ১০ জুলাই, ২০১২

তোমার শীতল করতলে

এই আষাঢ়, গাঢ় নীল শাড়ীতে নিজেকে সাজিও স্নিগ্ধা
কতদিন ভাসাইনি ভেলা দীঘল নদীর স্রোতে;মুগ্ধতায়
বিমোহিত চুম্বনে মেটাইনি তৃষা জ্যোৎস্না প্রবণ রাতে।
প্রাণপদ তাড়নার বাণে ভেসে গেছে যৌবনের রণপ্রপাত
কেবল তোমার বর্ষাস্নাত চুলের সুগন্ধ মাখা নিঃশ্বাসের বুভুক্ষে
নির্জলা ফাল্গুন, উম্মুল অনল পারেনি ফেরাতে সেই মশগুল হতে।
ঝির ঝির হাওয়ায় বৃষ্টির ভেজা সুবাস,সুকোমল স্থিতি
তোমার বুকে আগলে নাও কুসুমিত সেই নির্যাস
প্রাণের উদ্ভাসে আমি খুঁজে নেব জীবনের সুখোষ্ণ প্রশান্তি
যাপিত জ্বালা মিটিয়ে পূর্ণানন্দে রচনা করবো প্রমিত উচ্ছ্বাস।
                                      শীতল করতলে গ্রহণ করো পঞ্জি-ভুত আমার এই উষ্ণতা
                                      বিনিময়ে বুকের চাতালে এঁকে দেব চিরদিনের সুখ-সখ্যতা।

সোমবার, ৯ জুলাই, ২০১২

অভুক্ত বিরহে


লিকলিকে বেড়ে ষোড়শীর মতন সোনালু বৃক্ষের যৌবন
ফাল্গুনের নতুন হাওয়ায় ঝরে রূপের তীক্ষ্ণ বিচ্ছুরণ
আকাশ কুসুম ভাবনা আমার ছিন্ন করে ভিন্ন ভিন্ন মোহে
নির্জন প্রান্তর ফেরিয়ে উড়ে আসে একাকী পায়রা অভুক্ত বিরহে।

নিবিড় হবার আকাঙ্ক্ষায় যৌবনের সমস্ত শাখা প্রশাখা
কান পেতে শুনো হে  সমত্ত বাসন্তী
বুকের উপত্যাকায় কিসের গুঞ্জরন করছে নরন্তর ভিক্ষা
কামানের গোলায় ফালা ফালা দীর্ঘশ্বাস
বৃক্ষের ঝরা পাতায় শুঁকে দেখো প্রয়াত স্বপ্নের নির্যাস।

সুখব্রতে পরতে পরতে নিখুত কামনা বিলাস
ভ্রান্ত বিশ্বাসে আপন হাতে হই বিবস্রতার নগ্ন উল্লাস
সাদা পায়রার মতোই
খসে পড়া পালকের দিকে ফ্যাল ফ্যাল করে কেবল চেয়ে থাকা-
নগ্ন পরিহাসে উদ্বিগ্ন সাঁঝের বেলা
ঘরে ফেরার তাড়া নাই
অন্ধকার রুগ্ন বুকে  তখনো পাতা ঝরার তীক্ষ্ণ শব্দ......

কারণ এই বসন্তে তুমি দাওনি দেখা।

অভুক্ত বিরহে


লিকলিকে বেড়ে ষোড়শীর মতন সোনালু বৃক্ষের যৌবন
ফাল্গুনের নতুন হাওয়ায় ঝরে রূপের তীক্ষ্ণ বিচ্ছুরণ
আকাশ কুসুম ভাবনা আমার ছিন্ন করে ভিন্ন ভিন্ন মোহে
নির্জন প্রান্তর ফেরিয়ে উড়ে আসে একাকী পায়রা অভুক্ত বিরহে।

নিবিড় হবার আকাঙ্ক্ষায় যৌবনের সমস্ত শাখা প্রশাখা
কান পেতে শুনো হে  সমত্ত বাসন্তী
বুকের উপত্যাকায় কিসের গুঞ্জরন করছে নরন্তর ভিক্ষা
কামানের গোলায় ফালা ফালা দীর্ঘশ্বাস
বৃক্ষের ঝরা পাতায় শুঁকে দেখো প্রয়াত স্বপ্নের নির্যাস।

সুখব্রতে পরতে পরতে নিখুত কামনা বিলাস
ভ্রান্ত বিশ্বাসে আপন হাতে হই বিবস্রতার নগ্ন উল্লাস
সাদা পায়রার মতোই
খসে পড়া পালকের দিকে ফ্যাল ফ্যাল করে কেবল চেয়ে থাকা-
নগ্ন পরিহাসে উদ্বিগ্ন সাঁঝের বেলা
ঘরে ফেরার তাড়া নাই
অন্ধকার রুগ্ন বুকে  তখনো পাতা ঝরার তীক্ষ্ণ শব্দ......

কারণ এই বসন্তে তুমি দাওনি দেখা।