শনিবার, ১৪ জুলাই, ২০১২

সুধা চিহ্ন


তুমি আমাকে কোন চিহ্ন একে দিয়েছিলে
গোপনে একান্ত সঙ্গোপনে
যেখানে রক্তিম ঊষা আর তোমার প্রেম
পাশাপাশি সমান্তরাল উজ্জিবিত।
আমি আমার সারা তনু মন খুজেছি তন্ন তন্ন করে
নাক ফুলের আঁচড়
নখের কিংবা খোপা বাঁধার কাকড়ার দাগ
চুম্বনের নিপুন কারুকাজ সবি যেন আদৃশ্য
কিছুতেই কিছুর ছোঁয়া নাই ছন্দ নাই
প্রাণের সেই স্পন্দন নাই।
আমি খুজেছি সহজ সরল সেই মুখ
জোৎস্নার আদলে আকাশে ফুটবে দিপাবলী
রাতের নির্জনতায়-
আমার খাতায় ঝরাবে কবিতার শব্দাবলী।
সত্যি আমি তোমাকেই চাই
দ্বিধা নির্দ্বিধায়
যে দেবে প্রাণের পরশ
পান করবে প্রেমের সুধা।


শুক্রবার, ১৩ জুলাই, ২০১২

স্রোতের বুকে উত্তাপ



এক নদী জল
অগ্নি-লাভা মিশে হলো অনল
স্রোতের বুকে উত্তাপ
প্রেয়সীর চোখের ঘুম কেড়ে নিলো।

ছুঁতে পারিনি জ্বলন্ত তনু
উষ্ণতায় গলেছে প্রমত্ত যৌবনের মোম
নিবিড় হতে হতে গিয়েছি দূরে
নিভৃতে ঝরেছে যন্ত্রণা তীব্রতম।

গ্রীবার নীচে নীলচে কালো তিল
ডেকেছে বারবার তোমার কাছে
উত্তেজনায় ছুটেছি তীব্র বেগে
ভাষা হারিয়ে হয়েছি নির্বাক গভীর আবেগে।

গলিত লাভায় তোমার ক্ষেপাটে যৌবন
ছুঁতে পারিনি খুঁত খুঁতে দ্বিধায়
 তীরে বসে দেখেছি বিক্ষিপ্ত ভাঙ্গন তাণ্ডব
নিজেও হয়েছি চূর্ণ বিচূর্ণ দেখোনি তুমি সেসব।

মঙ্গলবার, ১০ জুলাই, ২০১২

তোমার শীতল করতলে

এই আষাঢ়, গাঢ় নীল শাড়ীতে নিজেকে সাজিও স্নিগ্ধা
কতদিন ভাসাইনি ভেলা দীঘল নদীর স্রোতে;মুগ্ধতায়
বিমোহিত চুম্বনে মেটাইনি তৃষা জ্যোৎস্না প্রবণ রাতে।
প্রাণপদ তাড়নার বাণে ভেসে গেছে যৌবনের রণপ্রপাত
কেবল তোমার বর্ষাস্নাত চুলের সুগন্ধ মাখা নিঃশ্বাসের বুভুক্ষে
নির্জলা ফাল্গুন, উম্মুল অনল পারেনি ফেরাতে সেই মশগুল হতে।
ঝির ঝির হাওয়ায় বৃষ্টির ভেজা সুবাস,সুকোমল স্থিতি
তোমার বুকে আগলে নাও কুসুমিত সেই নির্যাস
প্রাণের উদ্ভাসে আমি খুঁজে নেব জীবনের সুখোষ্ণ প্রশান্তি
যাপিত জ্বালা মিটিয়ে পূর্ণানন্দে রচনা করবো প্রমিত উচ্ছ্বাস।
                                      শীতল করতলে গ্রহণ করো পঞ্জি-ভুত আমার এই উষ্ণতা
                                      বিনিময়ে বুকের চাতালে এঁকে দেব চিরদিনের সুখ-সখ্যতা।

সোমবার, ৯ জুলাই, ২০১২

অভুক্ত বিরহে


লিকলিকে বেড়ে ষোড়শীর মতন সোনালু বৃক্ষের যৌবন
ফাল্গুনের নতুন হাওয়ায় ঝরে রূপের তীক্ষ্ণ বিচ্ছুরণ
আকাশ কুসুম ভাবনা আমার ছিন্ন করে ভিন্ন ভিন্ন মোহে
নির্জন প্রান্তর ফেরিয়ে উড়ে আসে একাকী পায়রা অভুক্ত বিরহে।

নিবিড় হবার আকাঙ্ক্ষায় যৌবনের সমস্ত শাখা প্রশাখা
কান পেতে শুনো হে  সমত্ত বাসন্তী
বুকের উপত্যাকায় কিসের গুঞ্জরন করছে নরন্তর ভিক্ষা
কামানের গোলায় ফালা ফালা দীর্ঘশ্বাস
বৃক্ষের ঝরা পাতায় শুঁকে দেখো প্রয়াত স্বপ্নের নির্যাস।

সুখব্রতে পরতে পরতে নিখুত কামনা বিলাস
ভ্রান্ত বিশ্বাসে আপন হাতে হই বিবস্রতার নগ্ন উল্লাস
সাদা পায়রার মতোই
খসে পড়া পালকের দিকে ফ্যাল ফ্যাল করে কেবল চেয়ে থাকা-
নগ্ন পরিহাসে উদ্বিগ্ন সাঁঝের বেলা
ঘরে ফেরার তাড়া নাই
অন্ধকার রুগ্ন বুকে  তখনো পাতা ঝরার তীক্ষ্ণ শব্দ......

কারণ এই বসন্তে তুমি দাওনি দেখা।

অভুক্ত বিরহে


লিকলিকে বেড়ে ষোড়শীর মতন সোনালু বৃক্ষের যৌবন
ফাল্গুনের নতুন হাওয়ায় ঝরে রূপের তীক্ষ্ণ বিচ্ছুরণ
আকাশ কুসুম ভাবনা আমার ছিন্ন করে ভিন্ন ভিন্ন মোহে
নির্জন প্রান্তর ফেরিয়ে উড়ে আসে একাকী পায়রা অভুক্ত বিরহে।

নিবিড় হবার আকাঙ্ক্ষায় যৌবনের সমস্ত শাখা প্রশাখা
কান পেতে শুনো হে  সমত্ত বাসন্তী
বুকের উপত্যাকায় কিসের গুঞ্জরন করছে নরন্তর ভিক্ষা
কামানের গোলায় ফালা ফালা দীর্ঘশ্বাস
বৃক্ষের ঝরা পাতায় শুঁকে দেখো প্রয়াত স্বপ্নের নির্যাস।

সুখব্রতে পরতে পরতে নিখুত কামনা বিলাস
ভ্রান্ত বিশ্বাসে আপন হাতে হই বিবস্রতার নগ্ন উল্লাস
সাদা পায়রার মতোই
খসে পড়া পালকের দিকে ফ্যাল ফ্যাল করে কেবল চেয়ে থাকা-
নগ্ন পরিহাসে উদ্বিগ্ন সাঁঝের বেলা
ঘরে ফেরার তাড়া নাই
অন্ধকার রুগ্ন বুকে  তখনো পাতা ঝরার তীক্ষ্ণ শব্দ......

কারণ এই বসন্তে তুমি দাওনি দেখা।

অভুক্ত বিরহে


লিকলিকে বেড়ে ষোড়শীর মতন সোনালু বৃক্ষের যৌবন
ফাল্গুনের নতুন হাওয়ায় ঝরে রূপের তীক্ষ্ণ বিচ্ছুরণ
আকাশ কুসুম ভাবনা আমার ছিন্ন করে ভিন্ন ভিন্ন মোহে
নির্জন প্রান্তর ফেরিয়ে উড়ে আসে একাকী পায়রা অভুক্ত বিরহে।

নিবিড় হবার আকাঙ্ক্ষায় যৌবনের সমস্ত শাখা প্রশাখা
কান পেতে শুনো হে  সমত্ত বাসন্তী
বুকের উপত্যাকায় কিসের গুঞ্জরন করছে নরন্তর ভিক্ষা
কামানের গোলায় ফালা ফালা দীর্ঘশ্বাস
বৃক্ষের ঝরা পাতায় শুঁকে দেখো প্রয়াত স্বপ্নের নির্যাস।

সুখব্রতে পরতে পরতে নিখুত কামনা বিলাস
ভ্রান্ত বিশ্বাসে আপন হাতে হই বিবস্রতার নগ্ন উল্লাস
সাদা পায়রার মতোই
খসে পড়া পালকের দিকে ফ্যাল ফ্যাল করে কেবল চেয়ে থাকা-
নগ্ন পরিহাসে উদ্বিগ্ন সাঁঝের বেলা
ঘরে ফেরার তাড়া নাই
অন্ধকার রুগ্ন বুকে  তখনো পাতা ঝরার তীক্ষ্ণ শব্দ......

কারণ এই বসন্তে তুমি দাওনি দেখা।