রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫

আমার গ্রাম, আমার বাংলা



হুম সমান সমান না ! হুম সমান সমান হ্যাঁ


হুম = না?
হুম = হ্যাঁ !!
------------------------ দাউদুল ইসলাম।
হুম.........
সব 'না'
মুখে বলে দিতে হয় না!
সব 'হ্যাঁ'
বুঝেও বুঝে না!

হয়তো শেষ যা ছিল প্রয়োজন
হয়তো, পুনরুদ্ধার করেছ হারানো সেই ধন!

এই ও বা কম কিসের?
আমার এই বুক ব্যবহার হয়েছে দুস্তর পারাপারের!
এতেই আমি ধন্য
লণ্ঠন হয়ে জ্বলেছি তোমার আঁধার পথে আলো দেবার জন্য।

না কোন আক্ষেপ নয়-
যেহেতু; আমার ছিলো  প্রাণান্ত প্রয়াস
আর আজো আছি সেই একিই চেতন আর উদ্ভাস!
যেহেতু ,কথা দিয়েছি  থাকবো
যেহেতু; নড়চড় হয়নি আত্মার অন্দরের সেই বিশ্বাস!

আলোর প্রতিমা
স্বর্গের পরমা
স্বপ্নের উপমা
যা কিছু ধারণ করেছি তোমার নামে
মর্মে মর্মে তা উপলব্ধি করেছি নিবিড় প্রেমে;
হয়ত কিছুই না তোমার কাছে!
আমি ত জানি-
এই আমার অমর্ত্য উদ্যান 
শত জন্মেও থাকবে বেঁচে।

দা উ দু ল   ই স লা ম ।

২২/২/১৫

মঙ্গলবার, ১৩ আগস্ট, ২০১৩

প্রয়োজন একটি গন্তব্যের

প্রয়োজন একটি গন্তব্যের

অপেক্ষার হিমে জমাট বাঁধতে বাঁধতে অশ্রুমন্ডলে জমেছে বরফ
ভাবনার পথ হাটতে হাটতে স্নায়ুতন্ত্রে মিশেছে জ্বালা অসম্ভব!
কবিতার ভাঁজে ভাঁজে তোমার নাম, সুনাম, উপমা
বুকের খাঁচে প্রাণান্ত আরোহী; ছলনার বিষ করেনি ক্ষমা।
দূর নীলাকাশ ধ্রুপদী গর্জনে ঢেকে যায় শুভ্রমেঘের ছায়া
একা একটি গাংচিল উড়ে যার নিরন্তর
যদিও চোখ জুড়ে তার দিগভ্রান্তির কায়া......

আদিগন্ত পথে নির্বাণ দহন!
অসহায় পথিক হেটে যায় সন্মুখ আঁধারে
পেছনে তার মুগ্ধ অতীত,সাথে রক্ত প্রবাল স্রোত
সে তো জানেনা কেমন করে ভেসে থাকতে হয় অরূপ সাগরে;
দিগ্বিজয়ের অণ্বেষায় কেমন করে লড়তে হয় কারবালার প্রান্তরে
মনের কোঠরে কেমন করে বাঁধতে হয় লাগাম ছেঁড়া ঘোড়া-
সে তো জানেনা !
জানেনা কিসের ঘোরে মরতে মরতে বাঁচতে হয় জগত সংসারে।

সুখী-জনেরা এসব ভাবেনা, ভাবতে হয়না
ঋতু বদল অবদলে তাদের কিচ্ছু আসে যায়না।
বিজ্ঞ অভিনেতার মতো তাদের সমগ্র জীবনই একটি রঙ্গনাট্য!
একশ একটি কবিতার পর জন্ম নেয় যে মানব শিশু-
আজন্মের পাপ হয়ে তার মুখে উচ্চারিত হয় যে আর্ত-চিৎকার
শব্দের সেই হাহাকারে
বাক্যের সেই নগ্ন আহাজারিতে ছুটে যায় জীবনের শৈল্পিক প্রেম
কেউ জানেনা
কেউ দেখেনা
দিনে দিনে একদিন সে হয়ে উঠে সোমত্ত প্রেমিক
কেউ বোঝেনা
তারও আজ প্রয়োজন একটি গন্তব্যের,একটি চাতাল একটি আশ্রয়ের...


আমরা ফ্যাশন সচেতন মানুষেরা
উজাড় কান্না করেছি কখন?
মেকআপের প্রলেপ মুছে যাবার ভয়ে নীরব নিভৃতে করে যাই আত্মহনন!

দাউদুল ইসলাম
১৩/৮/১৩

রবিবার, ৪ আগস্ট, ২০১৩

দাউদের কাব্যময় উচ্ছ্বাস: ছুঁয়ে দেবো অগাধ তৃষ্ণায়

দাউদের কাব্যময় উচ্ছ্বাস: ছুঁয়ে দেবো অগাধ তৃষ্ণায়: ছুঁয়ে দেবো অগাধ তৃষ্ণায় ছুঁয়ে দেবো অগাধ তৃষ্ণায় রুয়ে দেবো করে দেবো আমূল জীবনের চাষাবাদ; হারাতে চাইনে তোমাকে সুতরাং বিধে দেবো অস্তি...

ছুঁয়ে দেবো অগাধ তৃষ্ণায়

ছুঁয়ে দেবো অগাধ তৃষ্ণায়

ছুঁয়ে দেবো অগাধ তৃষ্ণায়
রুয়ে দেবো
করে দেবো আমূল জীবনের চাষাবাদ;
হারাতে চাইনে তোমাকে
সুতরাং বিধে দেবো অস্তিত্বের দায়...

রূপোলী জ্যোৎস্নায়
তরঙ্গের বালখিল্যতায় ডুবে যাবো
উদ্ধার করে আনবো বিধিবদ্ধ যন্ত্রণার আর্তনাদ
অঙ্গে উপাঙ্গে ফোটাবো নব নব চেতনা
স্নানে
চুম্বনে
খুঁজে নেবো অমর্ত্য রূপ রস গন্ধ...

অগ্রসর কামনার দুর্মর অধিকারে
ভিজে যাবো দুর্বিনীত বৃষ্টির অঝর ধারে
অন্ধকার যেমনই হোক-
আমি ঠিক ঠিক পৌঁছে যাবো
তোমার পদ্মনাভ থেকে ভেসে আসা মৃগকস্তুরিনাভ গন্ধ ধরে
যার জন্য আমার অগ্নিশপথ আমার বাঁচার আনন্দ!

দাউদুল ইসলাম
১/৮/১৩

মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল, ২০১৩

প্রাচুর্য আপনার নৈতিক অধিকার



প্রতিটি যুক্তিসঙ্গত চাওয়াকে পাওয়ায় রূপান্তরের সামর্থ্যই প্রাচুর্য। প্রাচুর্য কোনো গন্তব্য নয়। প্রাচুর্য হচ্ছে ক্রমাগত এগিয়ে চলা। প্রতিটি অর্জনই হচ্ছে নতুন শুরু, নতুন যাত্রার প্রস্তুতি। প্রাচুর্যের সূত্র প্রয়োগ করে আপনি আপনার জীবনকে নিয়ে যাবেন এক শিখর থেকে আরেক শিখরে। সূত্রগুলোকে যদি আপনার জীবনাচারের সাথে মিশিয়ে ফেলতে পারেন তাহলে জীবনে আপনি সবসময়ই থাকবেন ১ম সারিতে।


আপনার যা আছে, যতটুকু আছে সেজন্যে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করলেই মন প্রশান্ত হবে। ঠান্ডা মাথায় মস্তিষ্ককে কাজে লাগিয়ে বর্তমান সামর্থ্য ও উপায়-উপকরণ নিয়েই যাত্রা শুরু করার নাম শোকর।
হেলেন কেলার-এর জীবন দেখুন। শিশুবয়সে রোগ তার শ্রবণ ও দৃষ্টিশক্তি কেড়ে নেয়। তিনি কলেজ থেকে ডিগ্রি লাভ করেন। লেখক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। সফল বক্তা হিসেবে সারা দুনিয়ায় ঘুরে বেরিয়েছেন। তার এই অসাধারণ সাফল্যের পেছনে ছিলো তার শোকরগোজার দৃষ্টিভঙ্গি। তিনি লিখেছেনও আমাকে এতকিছু দেয়া হয়েছে যে, কি দেয়া হয়নি তা নিয়ে ভাবার কোনো সময় আমার নেই।’ একজন শ্রবণ ও দৃষ্টিশক্তিহীন নারী যদি এত শোকরগুজার হতে পারেন, তাহলে আপনি কেন পারবেন না। শোকরগুজার হোন! নতুন দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে জীবনের আনন্দসম্ভারকে উপভোগ করুন।
না-শুকরিয়ার ক্ষতি
  • ক্রমাগত না-শুকরিয়া দেহে এসিডিক অবস্থা সৃষ্টি করে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে ফেলে।
  • বিরক্তি ক্ষোভ দুশ্চিন্তা আশঙ্কা সন্দেহ সংশয় বাড়িয়ে সমস্যাকে সংকটে রূপান্তরিত করে, সম্ভাবনা নষ্ট করে।
  • সবসময় শূন্যতা হাহাকার বিষণ্নতা, অহেতুক কষ্ট পাওয়া, নিজেকে অসহায় ও বঞ্চিত মনে করার জন্যে দায়ী না-শুকরিয়া।
  • সিদ্ধান্তহীনতায় ভোগায়, দীর্ঘসূত্রিতা বাড়ায়। অলীক কল্পনা বিলাসিতায় ভাসিয়ে নিষ্ক্রিয় করে রাখে।
  • অসুস্থ প্রতিযোগিতায় লিপ্ত থেকে সীমালঙ্ঘন করায়।
  • দারিদ্র্য অশান্তি আতঙ্ক ত্রাস অস্থিরতা অনিশ্চয়তা এবং ভয় সৃষ্টি করে।
শুকরিয়া সারাক্ষণ

  • ঘুম ভাঙতে ও ঘুমানোর আগে বলুন, শোকর আলহামদুলিল্লাহ/প্রভু তোমাকে ধন্যবাদ/ থ্যাঙ্কস গড, একটি সুন্দর দিনের জন্যে।
  • প্রতিটি কাজ ও অর্জনের পর মনে মনে বা মুখে শুকরিয়া আদায় করুন।
  • কুশল বিনিময়ের সময় বলুন, শোকর আলহামদুলিল্লাহ! বেশ ভালো আছি।
  • শোকরগোজার মানুষদের সংস্পর্শে থাকুন। সবসময় অনুপ্রাণিত হবেন।
  • কথায় না-শুকরিয়া চলে এলেও বা তওবা বা বাতিল বাতিল বলে শুকরিয়া জ্ঞাপক শব্দ দিয়ে বাক্য শেষ করুন।
  • কেউ উপকার করলে ধন্যবাদ দিন। থ্যাঙ্কস বা ধন্যবাদের জবাবে বলুন, শোকর আলহামদুলিল্লাহ বা থ্যাঙ্কস গড বা প্রভুকে ধন্যবাদ।
·        
     

শনিবার, ১৩ এপ্রিল, ২০১৩

এই বৈশাখে তুমি রোদ্দুর হয়ে যাও


আমি চাই এই বৈশাখে তুমি রোদ্র হয়ে আসবে
ঝকঝকে সোনালী রোদ্দুর, অধরা সুখে
নতুন দিনের স্বপ্ন আঁকবে আপন অবয়বে;
বৈশাখের ফুরফুরে হাওয়ায় উড়বে তোমার দীঘল চুল
নির্বিবাদে ছুটবে নীলিমার নীল, দূরে বহুদূরে
ভেসে যাবে তোমার শরীরের মহুমহু সুগন্ধ
আর কেউ বুঝুক না বুঝুক
অনিন্দ্য সেই গন্ধে-
আমি বুঝে নেবো আজন্ম প্রেমের সমস্ত উসুল।

আমি চাই এই বৈশাখে ভেঙ্গে যাক সমস্ত বৃত্ত!
ভেঙ্গে যাক তীর্থের আঁধার, খুলে যাক সীমাবদ্ধতার বাঁধ
আমি চাই তুমি মিশে যাও বৈশাখী রেলীর জনস্রোতে
বাসন্তীর রঙে; মিশে যাও তালপাতার পাখার সঙ্গে
শীতল পাটির আমূল সুখে-

এই বৈশাখে তুমি ভনে যাও তেঁতুল গুড়ের শরবত
আকণ্ঠ পানে দহনের গহিনে প্রাণপণে-
মিটে দাও আমার জন্ম জন্মান্তরের তৃষ্ণা,
উদার আসমানে যাও উড়ে
মুক্ত আলিঙ্গনে হয়ে যাও মেঘ বালিকা;
নীলের অবগাহনে আমি পৌঁছে যাব শান্তি নীড়ে
জোনাকির ভিড়ে জ্যোৎস্নার আবিরে
আমি খুঁজে নেব তোমায় একান্ত নির্জনে।

আমি চাই এই বৈশাখে তুমি রুদ্র হয়ে আসবে
জ্যোৎস্না হয়ে থেকে যাবে আমার জীবনে -প্রয়াণে।

১৩/৪/১৩