রবিবার, ৮ মার্চ, ২০১৫

কাঁদা মাটির গন্ধে ভরা নারী


 (বিশেষ দিনে নয় 
নারীর প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা জানাই প্রতি দিন ...... চিরদিন! বিশ্ব নারী দিবস সফল হোক)

তুমি জন্মেছও বলেই জন্মেছে এই ধরা
তুমি আমার মা আমার প্রিয় অপ্সরা
তিমির কান্তার রশ্মি তুমি
হিম কাঁটা রজনীর উষ্ণতা
ক্ষুধার্ত হা ‘ভাতের অন্ন তুমি
ক্ষত বিক্ষত জীবনের একমাত্র মমতা।

তুমি অনন্য
জনম দুঃখী তুমি সন্তানের জন্য
তুমি দেবী
তৃষ্ণার্ত জীবনের শীতল জল
তুমি ধরিত্রী প্রতিমা
মমতার আঁধার তুমি মহান ক্ষমা
রক্তের শিকলে বেঁধে দশ মাস দশ দিন
তীর্থের ক্রন্দনে ধুয়ে দিয়েছ সন্তানের কষ্ট মলিন
তুনে তুনে বুনো সংসার দিনে দিনে
শত জনমে হবেনা সাধ্য শোধ করি সেই ঋণ।

নারীর রূপারণ্য পবিত্র আলোয়
খুঁজে লই প্রভুর প্রতিচ্ছবি
বুঝে না বুঝে কত জ্বালাই পোড়াই তারে
তবু নারী আগলে লয় মমতার মর্মরে;
জন্ম জন্মান্তর নারীরাই বাঁধে আমাদের স্বপ্ন
অন্তরে অন্তরে নারীই কাঁদে এক চিমটি প্রেমের জন্য;
নারী নিরঞ্জন প্রভুর অমূল্য সৃষ্টি, দান
নিজের বিসর্জনে
কখনো মায়ের মমতায়;
কখনো প্রেয়সীর কোমলতায়
এই নারীই দিতে পারে নিঃস্বার্থ প্রাণ।

ধন্য নারী
জীবনের সমগ্র বেলায় তোমাকেই করি বন্দনা
ধন্য হও ধন্য
যদিও তোমার সন্তানেরা বড়ই অকৃতজ্ঞ, ভুল- মনা।

দা উ দু ল ই স লা ম।

রবিবার, ১ মার্চ, ২০১৫

কে কার কথা রাখে


 কে কার কথা রাখে 
-------------------------------
অগত্য তুলে নেয়া হল 
যা ফেলে দিয়ে ফেরিয়ে গিয়েছে সীমান্ত প্রাচীর
যা কিছু সত্য; সব যেন
নির্বাক অসহায় চিত্ত! মিথ্যার স্ফুটন ফুলঝুরির মত
তথাগত ক্ষমতার মত
বিচ্ছুরিত কাঁচের মত চিক চিক করছিল।

অবধারিত অন্ধকার নেমে আসে, নামতে হয়
অথচ নিলামর জলসভা ভেঙ্গে কান্নারা স্রোতের মত প্রবাহিত!
তথা কথিত সুশীলেরা সভ্যতার আশ্রয়ে বাঁচে; অথচ -
সভ্যতা বুঝতে রাজি নন কোন ভাবেই!!
কিন্তু বসন্তের আগমনে ব্যস্ত হন ঠিকই
যদিও অন্তরে জাগে নি কোন আকুতি
বাতাসের উজানে ঝরা বিবর্ণ পাতা গুলোর ভেঙ্গে যাওয়া আর্তি শুনে না কখনো।

পাহাড় থেকে নদী
অবলীলায় কসম করে রক্ষা হয় নি মনুষ্যত্ব আজ অবধি।

প্রার্থনায় নতজানু শাশ্বত অন্তর
জলে ডোবা কর্নিয়ায় মিনতি লীন স্বপ্ন বিস্তর!
কে বিশ্বাস করবে?
সেই নৈবদ্যে দেখা মেলেনি যৎকিঞ্চিত সহানুভূতি
মেলেনি আশ্বাস; সুমতি
রৈ রৈ করা হুজুগী জোয়ারে ভেসে যায় সমস্ত আয়োজন!

এমনিই অক্ষম হৃদয়
কখনো জানতে পারে নি - হাসি না কান্না? জীবন না মরণ?
ধ্বংস না সৃষ্টি? প্রেম না ঘৃণা?
কি- সে তা'র আছে প্রয়োজন??

দা উ দু ল   ই স লা ম।
১/৩/১৫

রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫

আমার গ্রাম, আমার বাংলা



হুম সমান সমান না ! হুম সমান সমান হ্যাঁ


হুম = না?
হুম = হ্যাঁ !!
------------------------ দাউদুল ইসলাম।
হুম.........
সব 'না'
মুখে বলে দিতে হয় না!
সব 'হ্যাঁ'
বুঝেও বুঝে না!

হয়তো শেষ যা ছিল প্রয়োজন
হয়তো, পুনরুদ্ধার করেছ হারানো সেই ধন!

এই ও বা কম কিসের?
আমার এই বুক ব্যবহার হয়েছে দুস্তর পারাপারের!
এতেই আমি ধন্য
লণ্ঠন হয়ে জ্বলেছি তোমার আঁধার পথে আলো দেবার জন্য।

না কোন আক্ষেপ নয়-
যেহেতু; আমার ছিলো  প্রাণান্ত প্রয়াস
আর আজো আছি সেই একিই চেতন আর উদ্ভাস!
যেহেতু ,কথা দিয়েছি  থাকবো
যেহেতু; নড়চড় হয়নি আত্মার অন্দরের সেই বিশ্বাস!

আলোর প্রতিমা
স্বর্গের পরমা
স্বপ্নের উপমা
যা কিছু ধারণ করেছি তোমার নামে
মর্মে মর্মে তা উপলব্ধি করেছি নিবিড় প্রেমে;
হয়ত কিছুই না তোমার কাছে!
আমি ত জানি-
এই আমার অমর্ত্য উদ্যান 
শত জন্মেও থাকবে বেঁচে।

দা উ দু ল   ই স লা ম ।

২২/২/১৫

মঙ্গলবার, ১৩ আগস্ট, ২০১৩

প্রয়োজন একটি গন্তব্যের

প্রয়োজন একটি গন্তব্যের

অপেক্ষার হিমে জমাট বাঁধতে বাঁধতে অশ্রুমন্ডলে জমেছে বরফ
ভাবনার পথ হাটতে হাটতে স্নায়ুতন্ত্রে মিশেছে জ্বালা অসম্ভব!
কবিতার ভাঁজে ভাঁজে তোমার নাম, সুনাম, উপমা
বুকের খাঁচে প্রাণান্ত আরোহী; ছলনার বিষ করেনি ক্ষমা।
দূর নীলাকাশ ধ্রুপদী গর্জনে ঢেকে যায় শুভ্রমেঘের ছায়া
একা একটি গাংচিল উড়ে যার নিরন্তর
যদিও চোখ জুড়ে তার দিগভ্রান্তির কায়া......

আদিগন্ত পথে নির্বাণ দহন!
অসহায় পথিক হেটে যায় সন্মুখ আঁধারে
পেছনে তার মুগ্ধ অতীত,সাথে রক্ত প্রবাল স্রোত
সে তো জানেনা কেমন করে ভেসে থাকতে হয় অরূপ সাগরে;
দিগ্বিজয়ের অণ্বেষায় কেমন করে লড়তে হয় কারবালার প্রান্তরে
মনের কোঠরে কেমন করে বাঁধতে হয় লাগাম ছেঁড়া ঘোড়া-
সে তো জানেনা !
জানেনা কিসের ঘোরে মরতে মরতে বাঁচতে হয় জগত সংসারে।

সুখী-জনেরা এসব ভাবেনা, ভাবতে হয়না
ঋতু বদল অবদলে তাদের কিচ্ছু আসে যায়না।
বিজ্ঞ অভিনেতার মতো তাদের সমগ্র জীবনই একটি রঙ্গনাট্য!
একশ একটি কবিতার পর জন্ম নেয় যে মানব শিশু-
আজন্মের পাপ হয়ে তার মুখে উচ্চারিত হয় যে আর্ত-চিৎকার
শব্দের সেই হাহাকারে
বাক্যের সেই নগ্ন আহাজারিতে ছুটে যায় জীবনের শৈল্পিক প্রেম
কেউ জানেনা
কেউ দেখেনা
দিনে দিনে একদিন সে হয়ে উঠে সোমত্ত প্রেমিক
কেউ বোঝেনা
তারও আজ প্রয়োজন একটি গন্তব্যের,একটি চাতাল একটি আশ্রয়ের...


আমরা ফ্যাশন সচেতন মানুষেরা
উজাড় কান্না করেছি কখন?
মেকআপের প্রলেপ মুছে যাবার ভয়ে নীরব নিভৃতে করে যাই আত্মহনন!

দাউদুল ইসলাম
১৩/৮/১৩

রবিবার, ৪ আগস্ট, ২০১৩

দাউদের কাব্যময় উচ্ছ্বাস: ছুঁয়ে দেবো অগাধ তৃষ্ণায়

দাউদের কাব্যময় উচ্ছ্বাস: ছুঁয়ে দেবো অগাধ তৃষ্ণায়: ছুঁয়ে দেবো অগাধ তৃষ্ণায় ছুঁয়ে দেবো অগাধ তৃষ্ণায় রুয়ে দেবো করে দেবো আমূল জীবনের চাষাবাদ; হারাতে চাইনে তোমাকে সুতরাং বিধে দেবো অস্তি...

ছুঁয়ে দেবো অগাধ তৃষ্ণায়

ছুঁয়ে দেবো অগাধ তৃষ্ণায়

ছুঁয়ে দেবো অগাধ তৃষ্ণায়
রুয়ে দেবো
করে দেবো আমূল জীবনের চাষাবাদ;
হারাতে চাইনে তোমাকে
সুতরাং বিধে দেবো অস্তিত্বের দায়...

রূপোলী জ্যোৎস্নায়
তরঙ্গের বালখিল্যতায় ডুবে যাবো
উদ্ধার করে আনবো বিধিবদ্ধ যন্ত্রণার আর্তনাদ
অঙ্গে উপাঙ্গে ফোটাবো নব নব চেতনা
স্নানে
চুম্বনে
খুঁজে নেবো অমর্ত্য রূপ রস গন্ধ...

অগ্রসর কামনার দুর্মর অধিকারে
ভিজে যাবো দুর্বিনীত বৃষ্টির অঝর ধারে
অন্ধকার যেমনই হোক-
আমি ঠিক ঠিক পৌঁছে যাবো
তোমার পদ্মনাভ থেকে ভেসে আসা মৃগকস্তুরিনাভ গন্ধ ধরে
যার জন্য আমার অগ্নিশপথ আমার বাঁচার আনন্দ!

দাউদুল ইসলাম
১/৮/১৩